নতুন এমপিওভুক্ত ২৭৩০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ

0
92

নিজস্ব প্রতিবেদক: নতুন এমপিওভুক্ত ২ হাজার ৭৩০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার (২৩ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় গণভবনে এ তালিকা প্রকাশ করেন তিনি।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এমপিও প্রতিষ্ঠানগুলোকে নীতিমালার শর্তপূরণ করতে হবে। শর্তপূরণে ব্যর্থ হলে এমপিওভুক্ত বাতিল করা হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানা গেছে, যে ২ হাজার ৭৩০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে স্কুল ও কলেজের সংখ্যা ১ হাজার ৬৫১টি, মাদরাসা ৫৫৭টি এবং কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ৫২২টি। সম্পূর্ণ নতুন স্কুল-কলেজ এমপিওভুক্ত হচ্ছে ৬৮০টি এবং প্রতিষ্ঠানের নতুন স্তর এমপিওভুক্ত হচ্ছে এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৯৭১টি। নতুন এমপিওভুক্তির মধ্যে নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় ৪৩৯টি, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ১৪৬টি, স্কুল অ্যান্ড কলেজ দুটি এবং কলেজ ৯৩টি। আর স্তর এমপিওভুক্ত হয়েছে এমন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৮৪৯টি, স্কুল অ্যান্ড কলেজ ৬৬টি এবং কলেজ ৫৬টি। আর নতুন এমপিওভুক্ত দাখিল মাদরাসার সংখ্যা ৩৫৯টি, প্রতিষ্ঠানের নতুন স্তর এমপিওভুক্ত হচ্ছে এমন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আলিম ১২৭টি, ফাজিল ৪২টি ও কামিল ২৯টি। কারিগরির সব প্রতিষ্ঠানই নতুন এমপিওভুক্ত হচ্ছে। এর মধ্যে কৃষি ৬২টি, ভোকেশনাল স্বতন্ত্র ৪৮টি, ভোকেশনাল সংযুক্ত ১২৯টি, বিএম স্বতন্ত্র ১৭৫টি ও বিএম সংযুক্ত ১০৮টি।

দীর্ঘ ৯ বছর এমপিওভুক্তি বন্ধ ছিল। এজন্য শিক্ষকরা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছিলেন।

এমপিওভুক্ত হলো ২৭৩০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান : ২ হাজার ৭৩০টি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা হয়েছে।

বুধবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে গণভবনে নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ ঘোষণা দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষাকে আমরা গুরুত্ব দেই। শিক্ষা যথাযথ মান সম্পন্ন হতে হবে। নীতিমালার মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠাগুলোকে এমপিওভুক্ত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এ সময় অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপুমনি ও শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলসহ মন্ত্রালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা নীতিমাল অনুসারের নির্দেশনা পূর্ণ করতে পেরেছেন বলে এমপিওভুক্ত করা হয়েছে। যদি মনে করেন, এমপিওভুক্ত হয়ে গেছে, বেতন তো পাবই। এখন আর ক্লাস করার দরকার কী, পড়ানোর দরকার কী, চালানোর দরকার কী- এটা চিন্তা করলে কিন্তু চলবে না। কারণ এটা ধরে রাখতে হবে। যদি কেউ ভবিষ্যতে এটা পূরণে ব্যর্থ হয়, তার এমপিওভুক্তি কেটে যাবে।

তিনি বলেন, এখন এমপিওভুক্ত হয়ে গেছে। কাজেই শিক্ষার মান ও পরিবেশটা যেন আরও সুন্দর হয়। জাতির পিতা বলেছিলেন, সোনার বাংলা গড়ার জন্য সোনার ছেলে দরকার। সেই সোনার ছেলে-মেয়েই যেন তৈরি হয়। কারণ শিক্ষকরাই তো মানুষ গড়ার কারিগর। তাদের উপরে এই দায়িত্বটা বর্তায়।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় শিক্ষাখাতে নেয়া তার সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে বলেন, শিক্ষাকে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি। কাওমী মাদ্রাসাগুলোকেও শিক্ষার আওতায় নিয়ে এসে তাদেরও স্কুল সার্টিফিকেটের ব্যবস্থা করে দিয়েছি আমরা।

ডেইলি২৪লাইভ/ঢাকা/এসএস

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here