বুয়েট ছাত্র আবরারকে সবচেয়ে বেশি মারধর করে এই মদ্যপ অনিক

0
395

নিউজ ডেস্ক: (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ছাত্রলীগের গঠিত তদন্ত কমিটি জানিয়েছে, শিবির সন্দেহেই পিটিয়ে হত্যা করা হয় আবরারকে। মনির, সকাল, তানভীর, তামিম, জেমি, সাদাত, রাফিদ, তোহা ও অনিকসহ ১০-১২ ছাত্রলীগের জড়িত থাকার খবর পাওয়া গেছে। আবরার ফাহাদকে এদের মধ্যে অনিক সবচেয়ে বেশি মারধর করেছে।

গত রবিবার (৬ অক্টোবর) রাত ৮টা থেকে ১২টা পর্যন্ত ফাহাদের ওপর চলানো হয় এই নির্যাতন।

পরদিন সোমবার (৭ অক্টোবর) রাতে সংগঠনটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এ হ’ত্যায় সংশ্লিষ্টতা পাওয়া ১১ জনকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করেছে ছাত্রলীগ। বহিষ্কৃতরা হলেন- বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল, সহ-সভাপতি মুহতাসিম ফুয়াদ, সাংগঠিক সম্পাদক মেহেদী হাসান রবিন, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অনিক সরকার, ক্রীড়া সম্পাদক মেফতাহুল ইসলাম জিওন, সাহিত্য সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির, উপ-সমাজ সেবা সম্পাদক ইফতি মোশাররফ সকাল, উপ-দপ্তর সম্পাদক মুজতবা রাফিদ, সদস্য মুনতাসির আল জেমি, এহেতসামুল রাব্বি তানিম ও মুজাহিদুর রহমান।

রবিবার (৬ অক্টোবর) রাতে আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। সোমবার (৭ অক্টোবর) ভোরে শের-ই-বাংলা হলের প্রথম ও দ্বিতীয় তলার সিঁড়ির মধ্যবর্তী জায়গায় আবরারের নিথর দেহ পাওয়া যায়। তার শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন ছিল।

আবরার ফাহাদ বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের (ইইই) বিভাগের লেভেল-২ এর টার্ম ১ এর ছাত্র ছিলেন। তিনি শের-ই-বাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন।

ডেইলি২৪লাইভ/ঢাকা/এসএস

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here