৩০ টাকায় কেনা পেঁয়াজ ১২০, দুদিনেই ব্যবসা ‘লালে লাল’

0
63

বাংলাদেশে ভারতের পেঁয়াজ রফতানি বন্ধের ঘোষণার পরপরই ‘আলাদিনের চেরাগ’ হাতে পেয়েছেন আড়তদাররা। আগে থেকে মজুত করা পেঁয়াজে কপাল খুলেছে তাদের। অতিরিক্ত মজুত থাকা সত্ত্বেও বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে পেঁয়াজের দাম দ্বিগুণ বাড়িয়ে দিয়েছেন তারা।

৩০-৩৫ টাকা দামে কেনা এসব পেঁয়াজ বর্তমানে পাইকারিতে ৯০ থেকে ১০০ টাকা কেজি বিক্রি করছেন। বলতে গেলে দুদিনেই তাদের ব্যবসা ‘লালে লাল’।

বাড়তি মুনাফা নিজেদের পকেটে ভরছেন আড়তদাররা। বাইপাইল বাজারে দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজধানী ও আশপাশের বাজারগুলোতে বেড়েছে পেঁয়াজের দাম। এতে খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দাম ১০০ টাকা ছাড়িয়ে গেছে।

বাইপাইল বাজার ঘুরে জানা যায়, রাজধানীর পাশে হওয়ায় কাঁচা-পাকা ফল ও সবজির জন্য অন্যতম আড়ৎ বাইপাইল বাজার। এই আড়তে মজুতে ঘাটতি না থাকলেও অতিরিক্ত মুনাফার লোভে পেঁয়াজের বাজার অস্থির করে তুলছেন আড়তদাররা। মুনাফার লোভে পেঁয়াজের বাজারে তৈরি করেছেন কৃত্রিম সংকট। পেঁয়াজ মজুত করে বিক্রিতে নানা কৌশল অবলম্বন করছেন তারা।

মোকামে দাম বেশি, সরবরাহ কম- এসব অজুহাত দেখিয়ে আগে মজুত করা পেঁয়াজের দাম ৯০-১০০ টাকা পর্যন্ত নেন তারা। অথচ বর্তমানে এই আড়তে হাজার টন পেঁয়াজ মজুত সরেজমিনে দেখা গেছে।

বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ ঘোষণার পরদিনই এক লাফে পাইকারি কেজিপ্রতি ৩০-৩৫ টাকা বাড়িয়ে দেন আড়তদাররা।

অথচ দুদিন আগেও আড়তে পাইকারিতে ৫৫-৬০ টাকা পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে। গত দুদিনে আমদানি না হওয়া সত্ত্বেও হাজার টন পেঁয়াজ মজুত রয়েছে আড়তে।

বর্তমানে দেশি পেঁয়াজ পাইকারিতে ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। দুদিন আগে এসব পেঁয়াজ ৫৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। ভারতীয় পেঁয়াজ পাইকারিতে ৮০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে, যা দুদিন আগে ৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here