বুধবারে জন্ম নেয়া ২৭ মণ ওজনের ‘বুদ্দু বাবুর’ দাম ৮ লাখ টাকা

0
54

কয়েক দিন বাদেই পবিত্র ঈদুল আজহা। ঈদ টার্গেট করে সারা দেশের ন্যায় টাঙ্গাইলের নাগরপুরের খামারিরাও প্রস্তুত।

দীর্ঘ পরিচর্যা শেষে পশু বিভিন্ন হাটে নেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা। টাঙ্গাইলের নাগরপুরে এবার বাড়তি আকর্ষণ অজিত রায়ের ‘বুদ্দু বাবু’।

বুধবারে জন্ম নেয়া লো সাদার মিশেল রঙের সুঠাম স্বাস্থ্যের অধিকারী ষাঁড়টিকে আদর করে নাম দেয়া হয়েছে ‘বুদ্দু বাবু’। খুবই শান্তশিষ্ট প্রকৃতির ফ্রিজিয়ান জাতি একটি ষাঁড় গরু।

গরুটি টাঙ্গাইলের নাগরপুরের খামার কাঠুরি গ্রামের অজিত রায়ের। গরুটিকে সন্তান স্নেহে লালন-পালন করে আসছেন তিনি। প্রাকৃতিক খাবার যেমন সবুজ ঘাস, খড়, ভুসি, ভুট্টার ভাঙা দানা খেয়ে বেড়ে উঠেছে।

নজরকাড়া গরুটি সার্বক্ষণিক দেখভাল করেন অজিত রায়ের স্ত্রী। গরুটির ওজন প্রায় ২৭ মণ। খুবই শান্ত, রোগমুক্ত এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি নেই এই বুদ্দু বাবুর। প্রতিদিন দূরদূরান্ত থেকে উৎসুক মানুষ ওই বাড়িতে এসে ভিড় করেন।

গরু পালনের বিষয়ে খামারি অজিত বলেন, নাগরপুর উপজেলার প্রাণিসম্পদ দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করে গরুর ওজন এবং প্রয়োজনের ভিত্তিতে প্রাকৃতিক (ব্যালেন্সড) সুষম খাবার খাওয়ানো হয়েছে।

নিয়মিত গোসল করানো, পরিষ্কার ঘরে রাখা, বাবুর ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা, নিয়মিত হাটানো, রুটিন অনুযায়ী ভ্যাকসিন দেয়া ও কৃমির ওষুধ খাওয়ানো এ সকল বিষয় সংশ্লিষ্ট দফতরের পরামর্শেই আজ ‘বুদ্দু বাবুর’ ওজন ২৭ মন। বুদ্দু বাবুকে মোটা তাজা করার ব্যাপারে কোনো প্রকার ঔষধ ও ইনজেকসন ব্যবহার করা হয়নি বলে জানান তিনি।

বুদ্দু বাবুর দামের প্রত্যাশায় অজিত রায় বলেন, বাজার অনুযায়ী বিক্রি করতে হবে। তবে ন্যায্য দাম পেলে স্থানীয়ভাবে বিক্রি করার ইচ্ছা রয়েছে। তিনি গরুটির দাম হাঁকছেন ৮ লাখ টাকা।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here